
Blog
চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা -Benefits of eating chia seeds
বাংলায়, চিয়া সিড সাধারণত “চিয়া বীজ” নামে পরিচিত (“চিয়া বিজ” হিসাবে উচ্চারণ করা হয়)। চিয়া বীজ হল ছোট, ডিম্বাকৃতির বীজ
মরিঙ্গা পাউডার প্রশংসিত স্বাস্থ্যগুণ কারণে এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি সুপারফুড নামে বেশ খ্যাত। মরিঙ্গা গাছের প্রায় সব অংশ- ছাল, পাতা, বীজ, ফুল, শিকড় ও মূলের চূর্ণ করে মরিঙ্গা গুড়ঁ তৈরি করা হয়। আয়ুর্বেদ মতে, মরিঙ্গা প্রায় ৩০০ অধিক রোগ প্রতিকারে ব্যবহৃত হয়। একে অনেকে ড্রামস্টিক বা হর্সরাডিং ট্রি নাকে ডাকে।
মরিঙ্গা একটি লাভজনক ফসল।এটও দ্রুত বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। বাণিজ্যিক ভাবে মরিঙ্গা গাছের সকল অংশ ব্যবহার করা যায়।
মরিঙ্গা একটি সম্পূরক খাদ্য। এতে অ্যান্টিঅক্সিজেন্ট রয়েছে। যা শারীরিক ও মানসিক উভয় চাপ প্রতিরোধে ও দেহের ক্ষতিকারক কোষ হতে রক্ষা পেতে সাহায্য করে।
এতে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি সম্পূরক। যা পাকস্থলীর স্বাস্থ্য উন্নতিতে সহায়তা করে। এছাড়াও রক্তে গ্লুকোজ এর মাত্রা কমিয়ে আনতে ও শরীরে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
মরিঙ্গায় প্রচুর পরিমাণে খনিজ থাকে। এতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম শিশুদের বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল প্রদান করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতি চার আউন্স দুধে যেখানে মাত্র ৩০০-৪০০ মিলিগ্রাম খনিজ থাকে, সেখানে মরিঙ্গা পাউডারে খনিজের উপস্থিতি চার হাজারেরও বেশি।
মূলত রোগীদের শরীরে রক্তশুন্যতার অভাব দেখা দিলে আয়রন ট্যাবলেট এর নির্দেশ দেন।এতে শরীরে লবণের ঘনত্ব বাড়ে। তারই ফলশ্রুতিতে উচ্চ রক্ত চাপের সম্ভাবনা দেখা যায়। এই সমস্যা কাটিয়ে উঠার জন্য ট্যাবলেট এর পরিবর্তে মরিঙ্গা পাউডার ব্যবহার করা হয়। মাংসে প্রায় ২ মিলিগ্রাম আয়রন থাকলেও মরিঙ্গাগুড়োয় তে তার পরিমান ২৪ মিলিগ্রাম(প্রতি চামচে)।দৈনিক খাদ্য তালিকায় ৫০০গ্রামের মত ব্যবহার করলে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়ায় রক্তশুন্যতা দুর করা সম্ভব।
মরিঙ্গায় ৭৬ শতাংশ পলি অ্যানস্যাচুরেটেড ফ্যাট এসিড উপস্থিত। এটি শরীরে কোলেস্টেরল নিরাময় সাহায্য করে। এটি মশলাদারই স্বাদ হওয়ায় আমরা স্বাভাবিক উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
মরিঙ্গা পাউডার একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি ও প্রতিষেধকগুণের ভান্ডার। এতে রয়েছে কমলা অপেক্ষা সাত গুণেরও বেশি ভিটামিন সি, কলার চেয়ে ১৫গুণ বেশি পটাসিয়াম। নিরামিষভোগীদের মরিঙ্গা একটি সুস্বাদু উপকরণ।প্রতিদিন ৩-৫ চামচ গুড়ো সেবন করা যায়।
এক চামচ মরিঙ্গা গুঁড়ায়
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মরিঙ্গা ঋতু ভেদে পুষ্টি উপাদানের উপর প্রভাব ফেলে। গ্রীষ্ম মৌসুমে মরিঙ্গা ভিটামিন-এ প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।আবার শীতকালে ভিটামিন-সি ও আয়রন এর আধিক্য দেখা যায়। গবেষকদের মতেজলবায়ু ও পরিবেশগত কারণে গাছের পুষ্টিগুণের উপর প্রভাব দেখ যায়।
নিরামিষভোজী জন্য মরিঙ্গা পাউডার
নিরামিষভোজী হওয়ায় অনেক খাদ্যপুষ্টির অভাব দেখা যায় শরীরে।ব্যক্তিদের দেহ অপেক্ষাকৃত দুর্বল ও রোগাক্রান্ত হয়ে পরে।এক জন্য প্রতিদিন মরিঙ্গা পাউডার এর সুপ কিংবা চা খেলে শরীরে অত্যাবশকীয় ১৪টি প্রোটিন এর অভাব পূরণ হয়। তাছাড়া, এতে খাদ্যের রুচি বাড়েও দেহে প্রয়োজনীয় লবণ ও পটাসিয়াম এর মাত্রা পুণ হয়।
মরিঙ্গা পাউডার সবুজদাভ দেখতে৷ এর একটি সুবিধাজনক দিক হলো, যে কোনো খাবারে বা পানীয়তে গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া যায়।এতে খাদ্য একটু মিষ্টি স্বাদ যুক্ত হয়। একটা বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিত যেন, রান্নার পর এটি ছিটিয়ে দেওয়া হয়। কারণ, তাপে মরিঙ্গার গুণ ক্ষুণ্ণ হয়।
এক চামচ(৬ গ্রাম ) পাউডারকে এক কাপ উষ্ণ কিংবা ঠান্ডা পানিতে নাড়ুন।পরবর্তীতে পানি ছেকে নিন।নিজ স্বাদমত মধু কিংবা লেবএ যোগ করে সেবন করুন
যে কোনো পছন্দের স্মুদিতে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। স্মুদি সাধারণত ঝালালো স্বাদের উপস্থিতি পাওয়া যায়। এটি অনেকের কাছে, অপ্রতিরোধ্য হতে পারে। সমাধানার্থে, হালদা মরিঙ্গা পাউডার স্মুদিতে যোগ করা যায়। এতে তীব্রতা হ্রাস পায়।
মরিঙ্গা অনেকে অলৌকিক গাছ হিসেবে অবিহিত করা হয়। ওষুধি গুণাবলি ও স্বাস্থ্য উপকারীতা শতাব্দীকাল ধরে ব্যবহার করে এসেছে।এতে অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিডিপ্রেসন বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি সম্পূরক খাদ্য হলেও ডাক্তার এর পরামর্শ ছাড়া নেওয়া উচিত না। বিশেষজ্ঞ মতে, প্রতিদিন ২-৩ চামচের অধিক মরিঙ্গা পাউডার সেবনের পেটে খারাপ ও ডায়রিঅ হতে পারে।
গর্ভবতী মহিলাদের মরিঙ্গা পাউডার খাওয়া একদমই উচিত নয়।
মরিঙ্গা মূল কখনো গুঁড়ো হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
মরিঙ্গা একটি ভেজস যা Moringa oleifera গাছ গতে সংগ্রহ করা হয়। হাজার হাজার বছর ধরে চর্মরোগ, ডায়বেটিস ইত্যাদি রোগের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পণ্য।এতে উচ্চতর ভিটামিন বি কমপ্লেক্স হজম ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।এটি চর্বি হিসেবে খাদ্য সংরক্ষণ না করে শক্তিতে রূপান্তর করে। এতে দ্রুত ন্যচারাল প্রক্রিয়ায় ওজন কমানো সম্ভব।
মরিঙ্গা পাউডারে রয়েছে ফ্রি রেডিকাল যা চুলকে পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর রাখে। মরিঙ্গাতে ১৪ ধরণের অত্যাবশকিয় প্রোটিন পাওয়া যায়। যা ত্বকের কোষের ক্ষতি হাত হতে রক্ষা করে। মরিঙ্গা গুড়ো দিয়ে তৈরি মাস্ক ত্বকের হাইড্রেশম ও ডিটক্সিফাইং করে তুলে।
অনুমান করা হয়, প্রতি আটজন ৬৫ বছর উদ্ধো বয়সী লোকের এক জনের আলকোইমা রোগে আক্রান্ত। মরিঙ্গাতে পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ই। যা স্টেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এছাড়াও মরিঙ্গাশ উপস্থিত ডোপামিন ও সেরোটোনিন হরমোনের শরীরের ভারসাম্য বাড়ায়। এতে ব্যক্তির মানসিকভাবে সক্রিয়তা বৃদ্ধি পায়।
যকৃত শরীরের বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ রক্ত হতে ছেকে নেয়। প্রতিনিয়ত নানাবিধ শক্তিশালী মেডিসিনের কারণে রক্তের পরিষ্কারকরণ বাধা প্রাপ্ত হয়। প্রতিদিন মরিঙ্গা সেবনে লিভারের দ্রুত মেরামত করা সম্ভব।
মরিঙ্গা উপস্থিত অক্সিডেশনকে লিভার-এর পলিফেনলের ঘনত্বের হ্রাস ঘটায়। গবেষকদের ফাইব্রোসিস কমিয়ে মরিঙ্গা দ্রুত ক্ষত দাগ দরিভূতকরে।
রক্তে শর্করা ও ইনসুলিন এর মাত্রা বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় কারণ গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি। যা পরবর্তীতে ডায়াবেটিস টাইপ ২ তে বিকাশ ঘটাতে পারে।মরিঙ্গা পাতার গুড়ো লিপিড ও গ্লুকোজের মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখে।
মরিঙ্গা পাউডার ক্ষতের প্রদাহ কম করে উল্লেখযোগ্যভাবে। তাছাড়া পলিফেনল ও আইসোথিওসায়ানেট ত্বকের দাগের উপস্থিডি কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া রক্তে অক্সি-হিমোগ্লোবিন এর মাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে হৃদরোগ ও ক্যান্সার এর সম্ভাববা কমায়।
মরিঙ্গা হাঁপানি আক্রমণ হ্রাস ও ব্রঙ্কিয়ল-এর সংকোচনের বিরুদ্ধে রক্ষায় সাহায্য করে। তাছাড়া ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে অন্যতম প্রভাব ফেলে।
মরিঙ্গা আয়রন সরবরাহ করপ যা শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এতে রক্তের স্বল্পতা ও সিকেল সেল রোগের প্রতিরোধে খুবি উল্লেখযোগ্য।
মরিঙ্গা পাতা পুষ্টির একটি শক্তিশালী পাঞ্চ প্রদান করে। বহু শতাব্দী ধরে, এটি একটি পুষ্টিকর সুপারফুড। এগুলো মাথাব্যথা কমায়, ওজন কমায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়। গবেষকরা বিশ্বাস করেন যে মরিঙ্গা কোলেস্টেরল কমাতে, রক্তে শর্করার মাত্রা ভারসাম্য রাখতে এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করতে পারে। যে কেউ মরিঙ্গা পাউডার ব্যবহার করে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা উপভোগ করতে পারে। যাইহোক, দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য অবস্থার চিকিত্সার জন্য মরিঙ্গা ব্যবহার করার আগে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে ভুলবেন না।
Effort & Insaf যৌথ উদ্যোগে BSTI অনুমোদিত নির্ভেজাল খাদ্যদ্রব্য বাজারজাত করে থাকে। বাজার থেকে কেনার আগে অবস্যই মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ দেখে কিনুন। নিজের এবং পরিবারের স্বাস্থ সুরক্ষায় Effort & Insaf এর পণ্য ব্যবহার করুন। পণ্যের গুনগত মান এর সুরক্ষায় Effort & Insaf বদ্ধ পরিকর।

বাংলায়, চিয়া সিড সাধারণত “চিয়া বীজ” নামে পরিচিত (“চিয়া বিজ” হিসাবে উচ্চারণ করা হয়)। চিয়া বীজ হল ছোট, ডিম্বাকৃতির বীজ
স্থানীয় বাজার থেকে গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম: বাংলাদেশের ইকমার্সের প্রস্তুতি প্রাচীন থেকেই বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময়ী দেশ। বাংলাদেশ একটি বৃহত্তর বাজার, যেখানে বিশ্বের
No account yet?
Create an Account