হালাল বিনোদন

৳ 110.00

ফোনে অর্ডারের জন্য ডায়াল করুন

ডেলিভারি খরচ

ঢাকায় : ৳ ৫০.০০
ঢাকার বাইরের : ৳ ৯০.০০

Description

‘হালাল বিনোদন’ বইয়ের ফ্ল্যাপের কথাঃ
শাইখ আবু মু’আবিয়া ইসমাইল কামদার। জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে। সেপ্টেম্বর ১, ১৯৮৬। তের বছর বয়সে মাদরাসার পাঠ শুরু করেন উপমহাদেশের বিখ্যাত শিক্ষাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দে। সুদীর্ঘ সাত বছর টানা পড়াশোনা শেষে সেখান থেকে উত্তীর্ণ হন।
২০০৭ সালে ইসলামিক স্টাডিজে ব্যাচেলরস করতে যোগ দেন ইসলামিক অনলাইন ইউনিভার্সিটিতে। বর্তমানে সেখানে হেড টিউটোরিয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত। ‘হ্যাভিং ফান দ্যা হালাল ওয়ে’ তাঁর প্রথম বই। এরপর একে একে ভিন্নধারার আরও অনেক ইসলামি সাহিত্য রচনা করেছেন তিনি। সবই ইসলামি আত্মউন্নয়নমূলক। উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে আছে: ‘গেটিং দ্যা বারাকাহ: অ্যান ইসলামিক গাইড টু টাইম ম্যানেজমেন্ট, ‘বেস্ট অফ ক্রিয়েশন : অ্যান ইসলামিক গাইড টু সেলফ কনফিডেন্স।
স্ত্রী ও চার সন্তান নিয়ে ডারবানেই বসবাস করছেন তরুণ এই ইসলামি ‘আলিম।
প্রচ্ছদ কাজী যুবাইর মাহমুদ
‘হালাল বিনোদন’ বইয়ের সূচিপত্রঃ
প্রথম অধ্যায়
ফিকহ বা ইসলামী আইনের কিছু মৌলিক মূলনীতি……..১৩
অধ্যায় দুই
বিনোদনের ব্যাপারে পশ্চিমা দৃষ্টিভঙ্গি…………১৯
অধ্যায় তিন
বিনোদনের ব্যাপারে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি………………২৩
অধ্যায় চার
হারাম বিনোদন………..২৯
অধ্যায় পাঁচ
সুন্নাহ সমর্থিত বিনোদন………৫০
অধ্যায় ছয়
প্রযুক্তি……….৬৩
অধ্যায় সাত
ইসলাম নিয়ে কিছু ভুল বোঝাবুঝি …………..৬৮
অধ্যায় আট
শীর্ষ দশ হালাল বিনোদন……….৭৪
‘হালাল বিনোদন’ বইয়ের ভূমিকাঃ
প্রশংসা, কৃতজ্ঞতা সবই আল্লাহর। একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও সহজ জীবনব্যবস্থা উপহার দেওয়ার জন্য আল্লাহ তায়ালাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। সালাম ও বারাকাহ বর্ষিত হোক তাঁর শেষ নবী মুহাম্মাদ সা-এর প্রতি, যিনি ছিলেন গোটা মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ। সালাম ও বারাকাহ বর্ষিত হোক তাঁদের প্রতির যাঁরা পৃথিবীর শেষদিন পর্যন্ত নবী এ-এর পথ অনুসরণ করেছিলেন।
আধুনিক সমাজের বেশিরভাগ লোকের জীবনের একটা বিশাল অংশ দখল করে আছে বিনোদন। এতটাই যে, অনেকেই মিডিয়া ও বিনোদন শিল্পীদের দেবতূল্য মনে করে পূজো করেন। শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোতে টিভি, মিউজিক আর মুভি ইন্ডাস্ট্রি তাদের সর্বোচ্চ আয়ের উৎস। আর তাই অনেকেই সঙ্গীত ও অভিনয় শিল্পীদের আক্ষরিক অর্থেই পূজো করেন।
শঙ্কুল এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য বিনোদনের বিভিন্ন মাধ্যমের ব্যাপারে ইসলামের অবস্থান প্রতিটা মুসলিমের জানা উচিত। তবে এ বিষয়টি নিয়ে আমার গবেষণা ও লেখালেখির জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আছে।
বিনোদনের যে সংস্কৃতি এখন চলছে (যেটা পপ কালচার নামে পরিচিত), তাতে অনেক মুসলিম বাবা-মা’ই তাদের সন্তানদের নিয়ে দোটানায় থাকেন। ছেলেমেয়েদের বিনোদনের অবারিত সুযোগ করে দেবেন, নাকি একেবারেই বন্ধ করে দেবেন। দুটোই চরম অবস্থান এবং ছেলেমেয়েদের জন্য দুটো অবস্থানই নেতিবাচক ফল নিয়ে আসে।
চরম অবস্থানের এক প্রান্তে রয়েছেন এমন একদল অভিভাবক, যারা পাশ্চাত্যের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে অভিভূত। অন্যদিকে বিনোদনের ক্ষেত্রে মুসলিমদের অনগ্রসরতায় হতাশ (আর সত্যি কথা বলতে বিনোদনের ক্ষেত্রে আমাদের ব্যর্থতা অস্বীকার করার উপায় নেই)। আত্মমর্যাদার ঘাটতির কারণে এরা পশ্চিমা বিনোদন-কেন্দ্রিক জীবনব্যবস্থায় নিজেদের পুরোপুরি এলিয়ে দিয়েছেন। এতটাই যে, আধুনিক মুসলিম পরিবারগুলোতে একাধিক টিভি সেট, ভিডিও গেম খেলার যন্ত্র দেখতে পাওয়াটা মোটেও অস্বাভাবিক কিছু নয়।